দশম শ্রেণি
বাংলা
জ্ঞানচক্ষু - আশাপূর্ণা দেবী
জ্ঞানচক্ষু গল্প থেকে ১ নং মানের প্রশ্নগুলি হলো:
২. তপনের নতুন মেসোমশাই কোন পত্রিকার সম্পাদককে চিনতেন?
৩. তপনের লেখা প্রথম গল্পটির নাম কী?
৪. তপনের ছোটো মাসির নাম কী?
৫. তপনের মেসোমশাই কোন বিষয়ে যুক্ত ছিলেন?
৭. তপনের কোন বিষয়ে জ্ঞান খুলে গিয়েছিল?
৮. তপনের মেসোমশাই এর যোগ্য কী ছিল?
৯. তপনের গল্পটি কোন পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল?
১০. তপনের চিরকালের বন্ধু কে ছিলেন?
১১. তপনের গল্প দেখে ছোটো মাসি কী বলেছিল?
১২. তপনের কোন বিষয়ে অভাব ছিল?
জ্ঞানচক্ষু গল্প থেকে ৩ নং মানের প্রশ্নগুলি হলো:
১. তপনের লেখা গল্পটি তার মেসোমশাই এর কেমন লেগেছিল?
২. “পৃথিবীতে এমন ঘটনাও ঘটে” – কোন ঘটনা, কীভাবে ঘটেছিল?
৩. “যেন আকাশ থেকে পড়ল” – তপন কেন এমন মনে করেছিল?
৪. “আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন” – তপনের এমন মনে হওয়ার কারণ কী?
৫. “ছোট মাসি সেই দিকে ধাবমান হল” – ছোট মাসি কোন দিকে এবং কেন ধাবিত হয়েছিল?
৬. “রত্নের মূল্য জহুরীর কাছেই” – উক্তিটির তাৎপর্য নিজের ভাষায় লেখো।
৭. “তখন তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন” – কখন তপনের এমন মনে হয়েছিল? এই মনে হওয়ার কারণ কী?
৯. “নতুন মেসোমশাই এর ওপর ভারী রাগ হয় তপনের” – তপনের রাগের কারণ কী?
১০. “তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল” – কখন তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল? এর কারণ কী?
১১. “লেখকরা যে সাধারণ মানুষের মতো হয়” – এর দ্বারা বক্তা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
১২. “শুধু এই দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন” – তপন কী সংকল্প করেছিল? কেন তার এমন সংকল্প?
১৩. “তপনের দিনটা আজ আর পাঁচটা দিনের মতো নয়” – এমন মনে হওয়ার কারণ কী?
১৪. “কথাটা শুনে তপনের চোখ ছলছল করে” – কোন কথায় তপনের চোখ ছলছল করে উঠেছিল?
১৫. “তপনের যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল” – কখন তপনের এমন মনে হয়েছিল? এর কারণ কী?
১৬. “তপনের আর বুঝতে বাকি রইল না” – তপন কী বুঝতে পারল?
১৭. “জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের” – তপনের কীভাবে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল?
৫ নং মানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলী
১. “কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল” – কোন্ কথা শুনে কেন তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল?
২. “নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের” – তপন কোথায় নতুন মেসোকে দেখেছিল? কীভাবে তপনের নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গিয়েছিল?
৪. “তপন অবশ্য মাসির এই হইচইতে মনে মনে পুলকিত হয়।” – মাসি কেন হইচই করছিলেন এবং তাতে তপনের পুলকিত হওয়ার কারণ কী?
৫. “রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই” – এখানে ‘জহুরি’ বলতে কার কথা বোঝানো হয়েছে? কথাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
৬. “মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা।” – কোনটি, কেন মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে বলে বক্তা মনে করেছে?
৭. “সবাই তপনের গল্প শুনে হাসে।” – কখন? সবাই তপনের গল্প শুনে হাসলেও, তপনের ছোটোমেসো তাকে কী বলেছিলেন?
৮. “তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়।” – কখন তপনকে এভাবে দেখা যায় এবং তপনের বিহ্বলতার কারণ কী?
৯. “গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের” – তপনের গায়ে কখন এবং কেন কাঁটা দিয়ে উঠল?
১০. “তপনকে এখন ‘লেখক’ বলা চলে” – এ কথা মনে হওয়ার কারণ কী? তপনের গল্পের নাম কী ছিল?
১১. “একটা উত্তেজনা অনুভব করে তপন।” – তপনের উত্তেজনার কারণ বর্ণনা করো। উত্তেজিত হয়ে তপন কী করেছিল?
১২. “আঃ ছোটোমাসি, ভালো হবে না বলছি।” – কার উক্তি? এরূপ বলার কারণ কী?
১৩. “এদিকে বাড়িতে তপনের নাম হয়ে গেছে...” – বাড়িতে তপনের কী কী নাম কেন প্রচলিত হয়েছিল?
১৪. “বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের।” – কখন, কেন তপনের এই অবস্থা হয়েছিল?
১৫. “পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে?” – অলৌকিক ঘটনাটি কী? তাকে অলৌকিক বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
১৬. “সারা বাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়” – ‘শোরগোল’ কথার অর্থ কী? কোন ঘটনায় এই শোরগোল পড়ে যায়?
১৭. “আজ আর অন্য কথা নেই” – কোন্ দিনের কথা বলা হয়েছে? সেদিন অন্য কোনো কথা নেই কেন?
১৮. “তপন যেন কোথায় হারিয়ে যায় এইসব কথার মধ্যে।” – ‘এইসব কথা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? তপনের হারিয়ে যাওয়ার কারণ কী?
১৯. “সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না।” – কার কথা বলা হয়েছে? সেই আহ্লাদ না হওয়ার কারণ কী ছিল?
২০. “এতক্ষণে বইটা নিজের হাতে পায় তপন।” – কোন্ বইটার কথা বলা হয়েছে? সেটি হাতে পেয়ে তপন কী দেখতে পেয়েছিল?
২১. “তপন লজ্জা ভেঙে পড়তে যায়।” – তপন তার লজ্জা কাটিয়ে কী পড়তে যায় এবং পড়তে গিয়ে সে কী দেখে?
২২. “সবাই শুনতে চাইছে তবু পড়ছিস না?” – কী শুনতে চাওয়ার কথা বলা হয়েছে? তা না পড়ার কারণ কী?
২৩. “তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন” – ‘আজ’ বলতে কোন দিনকে বোঝানো হয়েছে? তপনের এরকম মনে হওয়ার কী কারণ ছিল?
২৪. “শুধু এই দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন” – কোন দুঃখের মুহূর্তের কথা বলা হয়েছে? তপন গভীরভাবে কী সংকল্প করেছিল?
২৫. “যে ভয়ংকর আহ্লাদটা হবার কথা, সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না।” – ‘আহ্লাদ’ হবার কথা ছিল কেন? ‘আহ্লাদ খুঁজে’ না পাওয়ার কারণ কী?
২৬. “তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই, তার থেকে অপমানের।” – কার সম্পর্কে এ মন্তব্য? ‘তার চেয়ে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
নিচে উত্তরগুলো দেওয়া হলো
১. আশাপূর্ণা দেবীর লেখা থেকে জানা যায় তপনের মেসো একজন লেখক।
২. তপনের নতুন মেসোমশাই সন্ধ্যাতারা পত্রিকার সম্পাদককে চিনতেন।
৩. তপনের লেখা প্রথম গল্পটির নাম 'স্কুলের একটি ছেলে ও তার অভিজ্ঞতা'।
৪. তপনের ছোটো মাসির নাম জানা যায় না।
৫. তপনের মেসোমশাই লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৬. তপনের মেসোমশাই কলকাতা থেকে এসেছেন।
৭. তপনের জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল।
৮. তপনের নতুন মেসোমশাই এর যোগ্য ছিল তপনের লেখা গল্প সামান্য কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়া।
৯. তপনের গল্পটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল।
১০. তপনের চিরকালের বন্ধু ছিল ছোটো মাসি।
১০. তপনের গল্প দেখে ছোটো মাসি বলেছিল, "তোর মেসো একজন লেখক।"
১১. তপনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ছিল না।
১. তপনের লেখা গল্পটি তার মেসোমশাইয়ের ভালো লেগেছিল।
২. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় এই কথা বলা হয়েছে।
৩. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় তপন আকাশ থেকে পড়ার মতো মনে করেছিল।
৪. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় তপনের এমন মনে হয়েছিল।
৫. ছোট মাসি পত্রিকা হাতে তপনের দিকে ধাবিত হয়েছিল।
৬. এই বক্তব্যের তাৎপর্য হলো, একমাত্র জহুরী, অর্থাৎ গুণী ব্যক্তিরাই রত্নের প্রকৃত মূল্য দিতে জানেন।
৭. নিজের লেখা গল্পের ওপর তপনের অধিকার না থাকায় তার এমন মনে হয়েছিল।
৮. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় এই কথা বলা হয়েছে।
৯. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় তপন আকাশ থেকে পড়ার মতো মনে করেছিল।
১০. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় তপনের এমন মনে হয়েছিল।
১১. ছোট মাসি পত্রিকা হাতে তপনের দিকে ধাবিত হয়েছিল।
১২. এই বক্তব্যের তাৎপর্য হলো, একমাত্র জহুরী, অর্থাৎ গুণী ব্যক্তিরাই রত্নের প্রকৃত মূল্য দিতে জানেন।
১৩. নিজের লেখা গল্পের ওপর তপনের অধিকার না থাকায় তার এমন মনে হয়েছিল।
১. এখানে বক্তা হলেন তপনের ছোটো মাসি। কুমড়ো-পোকা মাকড়সার ল্যাজের হুলের মতো হুল ফুটিয়ে দেয়।
২. তপনের লেখা গল্প তার নতুন মেসোমশাই কারেকশন করে দেওয়ায় তপনের রাগ হয়েছিল।
৩. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়ায় তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল।
৪. লেখকরা সাধারণ মানুষের মতো, তাদেরও জীবনযাপন সাধারণ মানুষের মতোই, এই কথা বোঝাতে চেয়েছেন।
৫. তপন প্রতিজ্ঞা করেছিল, ভবিষ্যতে কেউ যদি তার গল্প ছাপাতেও চায়, সে নিজে না দেখে তা ছাপাতে দেবে না।
৬. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়ায় তপনের দিনটা আজ আর পাঁচটা দিনের মতো ছিল না।
৭. তপনের মেসোমশাই যখন তপনের লেখা গল্প কারেকশন করে দেন, তখন তপনের চোখ ছলছল করে উঠেছিল।
৮. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়ার পর তপনের ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল।
৯. তপন বুঝতে পারল, তার মেসোমশাই তার লেখা গল্প কারেকশন করে দিয়েছেন।
১০. তপনের লেখক সম্পর্কিত ধারণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল।
১১. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় এই কথা বলা হয়েছে।
১২. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় তপন আকাশ থেকে পড়ার মতো মনে করেছিল।
১৩. তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হওয়া এবং তা কারেকশন করে ছাপিয়ে দেওয়ায় তপনের এমন মনে হয়েছিল।
১৪. ছোট মাসি পত্রিকা হাতে তপনের দিকে ধাবিত হয়েছিল।
১৫. এই বক্তব্যের তাৎপর্য হলো, একমাত্র জহুরী, অর্থাৎ গুণী ব্যক্তিরাই রত্নের প্রকৃত মূল্য দিতে জানেন।
১৬. নিজের লেখা গল্পের ওপর তপনের অধিকার না থাকায় তার এমন মনে হয়েছিল।
